'জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষম হচ্ছে বাংলাদেশ'

 প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২০, ১২:১৮ অপরাহ্ন   |   পরিবেশ ও জলবায়ু

'জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষম হচ্ছে বাংলাদেশ'

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ উদ্যোগে প্রথম দেশ হিসেবে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড গঠন বিশ্বে এক অনন্য নজির।


তিনি জানান, এখন পর্যন্ত  জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে ৭৮৯টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ সকল প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় দেশকে সক্ষম করতে সহায়ক হবে।


আজ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ট্রাস্টি বোর্ডের ৫৩তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বেগম ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি, পিকেএসএফ'র চেয়ারম্যান কাজী খলিকুজ্জামানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা বক্তব্য রাখেন।


পরিবেশ মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও গুণগতমান নিশ্চিত করা হবে। যথাযথভাবে ও যথাসময়ে চলমান প্রকল্পসমূহ সমাপ্তির লক্ষ্যে মনিটরিং ও সুপারভিশন কার্যক্রম জোরদার করা হবে।


তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহ আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে মূল্যায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।


সভায় ব্যয় বৃদ্ধি ব্যতিরেকে ১৮টি চলমান প্রকল্পের আন্তঃখাত সমন্বয় এবং কাজের পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি বিষয়ক সংশোধিত প্রস্তাব এবং ৪০ টি প্রকল্পের সময় বাড়ানোর আবেদন অনুমোদন করা হয়।


কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে নতুন প্রকল্পসহ চলমান প্রকল্পের মেয়াদ অনুমোদিত মেয়াদ/বর্ধিত মেয়াদ হতে ১ বছর বৃদ্ধি এবং চলমান যেসব প্রকল্পের মেয়াদ জুন, ২০২০ এ সমাপ্ত হয়েছে সে সকল প্রকল্পের মেয়াদ অনুমোদিত মেয়াদ হতে ১ বছর বৃদ্ধির আবেদন অনুমোদন করা হয়।


এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে অনুমোদিত চলমান প্রকল্পের কাজের ব্যত্যয় বা অনিয়ম হলে প্রকল্প পরিচালকের বিরুদ্ধে পিপিআর অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া নিষিদ্ধ পলিথিনের বিকল্প বায়োডিগ্রেডেবল ব্যাগের উদ্ভাবনের উপায় খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।